সোমবার, ১৩ Jul ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : সরকারের প্রণোদনার আওতায় নেই কাস্টমস ও বন্দর। করোনার মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন কাস্টমস ও বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
করোনাভাইরাসের কারণে সরকার, গার্মেন্টস, শ্রমিক, ব্যাংকার, ট্যুরিজমসহ বিভিন্ন সেক্টরে প্রণোদনা দিলেও কাস্টমস ও বন্দরকে প্রণোদনার আওতায় রাখা হয়নি।
করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণার পরপরই বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী ও বন্দরের ডেপুটি ডাইরেক্টর মামুনুর রহমানসহ তাদের টিমের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। বিশেষ করে ভারত থেকে ফেরত আসা বাংলাদেশি যাত্রীরা বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়েই ফিরে আসছেন দেশে প্রতিনিয়ত। ইমিগ্রেশন পুলিশের সঙ্গে কাস্টমস কর্মকর্তারাও যাত্রীদের সেবা প্রদান করছেন।
বেনাপোল কাস্টমস হাউস থেকে সরকার বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করে থাকে। ভারতের সঙ্গে বছরে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হয় বেনাপোল বন্দর দিয়ে। অথচ সাধারণ ছুটির মধ্যেও কাস্টমস ও বন্দর খোলা রেখে বন্দর থেকে আমদানিকৃত পণ্য খালাস দিচ্ছেন।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার আকরাম হোসেন চৌধুরী জানান, সরকারি নির্দেশে সব কর্মকর্তা-কর্মচারী মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। কাস্টমসকেও প্রণোদনা দেয়া উচিত। তাহলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হলেও প্রত্যেকে কাজ করবে সার্বক্ষণিক।
বেনাপোল বন্দরের ডেপুটি ডাইরেক্টর মামুনুর রহমান জানান, যারা মাঠপর্যায়ে কাজ করছে তাদের অবশ্যই প্রণোদনা পাওয়া উচিত। তাহলে বন্দরের মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজে আরও উৎসাহিত হবেন। সাধারণ ছুটির মধ্যেও কাস্টমস ও বন্দর খোলা রেখে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য সচল রাখা হয়েছে।
নগরকন্ঠ.কম/এআর